Showing posts with label Gallery. Show all posts
Showing posts with label Gallery. Show all posts

Monday, August 29, 2016

আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বন্ধে সিডিএর অভিযান শুরু

নগরীর আবাসিক এলাকা এবং বহুতল আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে বাণিজ্যিক ব্যবহার বন্ধে অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।


সোমবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে বিকেলে চারটা পর্যন্ত খুলশী থানাধীন উত্তর খুলশীর ২, ৩ ও ৪ নম্বর সড়কে অভিযান চালানো হয়।


সিডিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খিন ওয়ান নু অভিযানে নেতৃত্ব দেন।


তিনি বাংলানিউজকে জানান, আবাসিক ভবনের অনুমোদন নিয়ে রেস্টুরেন্ট, হোটেল, গেস্ট হাউস, বিপণিকেন্দ্র, বাণিজ্যিক অফিস, স্কুল-কলেজ গড়ে তোলার প্রবণতা বাড়ছে। এ অবস্থায় সিডিএ বিভিন্ন আবাসিক এলাকা ও অনুমোদিত বহুতল আবাসিক ভবনগুলোর নকশা এবং বাস্তব চিত্র তুলে ধরে সম্প্রতি তালিকা তৈরি করেছে। তারই ভিত্তিতে উত্তর খুলশীতে অভিযান চালানো হয়েছে।


নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, তিনজন ভবন মালিকের কাছ থেকে ৮৯ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০-২৫ জন ভাড়াটিয়া যারা আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তাদের কাছ থেকে আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠান অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মুচলেকা নিয়েছি।


পর্যায়ক্রমে প্রতিটি আবাসিক এলাকা ও বহুতল ভবনে এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হবে বলে জানান সিডিএর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট


গত ৩ আগস্ট চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সম্মেলন কক্ষে ২১টি সেবাদাতা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সমন্বয় সভায় মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন নগরীর খুলশী, নাসিরাবাদসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকার ভবনে অবৈধভাবে গড়ে তোলা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের তালিকা চেয়েছিলেন। সভায় সিডিএ’র ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী জসিম উদ্দিনকে এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেন তিনি।


মেয়র বলেন, খুলশীতে রেস্ট হাউস শুরু করে এমন কিছু বাদ নেই, যা এ এলাকায় নেই। নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটিতে স্কুল হচ্ছে। প্রচুর যানজট হচ্ছে। আবাসিকের বাসিন্দারা বেরোতে পারছে না। প্রতিনিয়ত অভিযোগ পাচ্ছি। তাই নকশা অনুমোদনের সময় আবাসিক নাকি বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমোদন নিয়েছে দেখা দরকার। তালিকা পেলে অবৈধ ব্যবহার বন্ধ করা হবে। একই সঙ্গে ওয়ার্ডভিত্তিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

‘হ্যালো’ একটা মেয়ের নাম

টেলিফোন তুলে সবাই বলে ‘Hello’, কিন্তু কেন! কেউ কি জানেন এই ‘হ্যালো’ বলার প্রকৃত মানে কি? কোথা থেকে এই ‘হ্যালো’ বলা শুরু! ‘হ্যালো’ একটা মেয়ের নাম। পুরো নাম মার্গারেট হ্যালো ( Margaret Hello)। তিনি আর কেউ নন – বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল এর গার্ল ফ্রেন্ড। গ্রাহাম বেল হলেন টেলিফোনের আবিস্কারক। আবিস্কারের পর তিনি প্রথম যে কথাটি বলেন তা হচ্ছে – ‘হ্যালো’। সেই থেকেই ‘হ্যালো’ বলে ফোন কলের প্রচলন শুরু। মানুষ গ্রাহাম বেলকে ভুলে যেতে পারে, কিন্ত তার ভালোবাসার মানুষটিকে নয়। আজও মানুষ ফোনে প্রথম কথায় আবিষ্কারকের প্রথম কথাটি বলে নিজের অজান্তেই তাকে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে আসছেন।

ঘরে বা অফিসে বসেই বিজ্ঞাপন দিন এখনি – চট্টগ্রামী বাংলা ।| CGBANGLA.com

Here we have 4 Types of Ad Tariff plan for you -

  1. Post Title SPONSOR- 10 images/day - 1 week  -Tk 1000/-

  2. Post End SPONSOR - 10 post/day - 1 week -Tk 5000/-(included Post Title)

  3. Sidebar SPONSOR  - 1 month -Tk 10000/-(included Post Title & Post End for 1 week)

  4. Lifetime SPONSOR  - lifetime at all aspects of our ad portraying technique - Tk 2,00,000/- (Not Recommended as usual, you may email us at cgbangla1@gmail.com if you are eagerly interested to be one of our Lifetime SPONSORs among five.) 


[embed]https://form.jotform.me/form/62407815619460[/embed]

See An Example of our Ad Portray: http://goo.gl/Gkzt6I  or  http://goo.gl/DoOtMe

*If the above form inactivated, please use bellow form -

[contact-form][contact-field label="আপনার নাম" type="name" required="1" /][contact-field label="মোবাইল নম্বর" type="text" required="1" /][contact-field label=" বিজ্ঞাপনের ধরণ নির্বাচন করুন " type="radio" options="পোস্ট টাইটেল স্পন্সর - ৳১০০০/-,পোস্ট এন্ড স্পন্সর - ৳৫০০০/-,সাইডবার স্পন্সর - ৳১০০০০/-" required="1" /][contact-field label="Cash Deposit Details(Date, time, Bank, Online Transfer etc)" type="textarea" /][/contact-form]

অর্ডার সাবমিটের পর আপনার বিজ্ঞাপনের তথা ব্যাবসা-ব্রান্ড/প্রডাক্টের নাম, ইমেজ(GIF is highly appreciable), লিঙ্ক ও বর্ণনা দিয়ে একটি ইমেইল করুন এই ঠিকানায়ঃ cgbangla1@gmail.com , অতঃপর  নীচের ব্যাংক একাউন্টে আপনার নির্বাচিত বিজ্ঞাপন ধরণের ট্যারিফটি পেমেন্ট করুন, ব্যস! সন্ধ্যে ৭ টার মধ্যে আমাদের কাছে পেমেন্ট নিশ্চিত হলে পরেরদিন থেকে বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হবে।


Mohammad Mohiuddin
A/c  1507202327144001
Brac Bank Limited

Sunday, August 28, 2016

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আলোচিত সেই ছবির ৪ ছাত্রই এখন প্রতিষ্ঠিত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এ ছবিটি অত্যন্ত পরিচিত। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নস্টালজিয়ায় ফেলে দেয়। এ যেন ক্যাম্পাসের অতি পরিচিত এক‌টি স্মৃতি!! ছবিটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কৌতূহলেরও শেষ নেই।
দীর্ঘদিন পর ছবির মানুষগুলোর পরিচয় পাওয়া গেছে। পুর‌নো যাত্রী হি‌সে‌বে তখনকার ছাত্র এই চারজনই চবির ৮১ ব্যাচের।
প্রথম জন Nazibul Khan রানা। ওই সময়ের চাকসুর ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন তিনি। বর্তমানে সুইডেনে আছেন। দ্বিতীয় জন খোরশেদ আলম চোধুরী। ওই সময়ের আলাওল হলের এজিএস ছিলেন তিনি। বর্তমানে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সচিব এবং প্লানিং কমিশনের সন্মানিত সদস্য।
তৃতীয় জন মশিউর রহমান বেগ (মাসুম)। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের টারমিনাল ম্যানেজার ছিলেন তিনি। বর্তমানে ঢাকায় স্থল বন্দরের দায়িত্বে আছেন। আর চতুর্থ জন ব্যাংক কর্মকর্তা।
তথ্য সংগ্র‌হ : Abraul Hasan
শিক্ষক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

ইস্টার্ন ব্যাংকে নিয়োগ

রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট বা রিসার্চ অ্যানালিস্ট (ক্যাপিটাল মার্কেট) পদে জনবল নিয়োগ দিচ্ছে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড। দেখে নিন আবেদনের জন্য বিস্তারিত-

যোগ্যতা
পাবলিক বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স বা মার্কেটিংয়ে বিবিএ বা এমবিএ পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন প্রার্থীরা। পাশাপাশি আবেদনকারীদের স্টক ব্রোকেজ অথবা মার্চেন্ট ব্যাংকে ন্যূনতম এক বছর কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এ ছাড়া প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বচ্ছ জ্ঞান থাকতে হবে।

কর্মস্থল ও বেতন
নিয়োগপ্রাপ্তদের রাজধানী ঢাকায় নিয়োগ দেওয়া হবে। কোম্পানির বেতনক্রম অনুযায়ী প্রার্থীদের বেতন দেওয়া হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া
আগ্রহী প্রার্থীরা তাদের জীবনবৃত্তান্ত ও ছবি পাঠাতে পারবেন info@eblsecurities.com ঠিকানায়। এ ছাড়া ডাকযোগে আবেদনপত্র পাঠানো যাবে ‘ইবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেড, ৫৯ মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ১ম ফ্লোর, ঢাকা-১০০০’ ঠিকানায়। প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন (bit.ly/2ciY3Pe) ওয়েবসাইট ঠিকানা থেকে।

বিস্তারিত জানতে ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড প্রকাশিত বিজ্ঞাপনটি দেখুন-

এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট ।। ১৭ মেগাওয়াট বাণিজ্যিক উৎপাদন আজ থেকে শুরু

এস আলম পাওয়ার জেনারেশনের ২ ইউনিট থেকে বাণিজ্যিকভাবে আজ ১৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করবে। প্রায় ২৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে জাপানের কারিগরি সহায়তায় ২ ইউনিট বিশিষ্ট ১৭ মেগাওয়াট ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করে এস আলম গ্রুপ। গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। আজ ২৮ আগস্ট রোববার থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে। কোম্পানিটির বার্ষিক টার্নওভার হবে ১০৮ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, এস আলম পাওয়ার জেনারেশনের ৭০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানায় রয়েছে এস আলম কোল্ড রোলড স্টীল। এদিকে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ৬১২ মেগাওয়াট করে মোট ১ হাজার ২২৪ মেগাওয়াটের দুটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করার জন্য পিডিবির সাথে চুক্তি করেছে এস আলম গ্রুপ। ২৪০ কোটি ডলারের এ প্রকল্পে ১৭৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে চীনা ব্যাংক। এ প্রকল্পে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে থাকছে চীনের দু’টি প্রতিষ্ঠান সেপকো থ্রি ইলেকট্রিক পাওয়ার কনস্ট্রাকশন করপোরেশন ও এইচটিজি ডেভেলপমেন্ট গ্রুপ কোম্পানি। এজন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এসএস পাওয়ার লিমিটেড ১ ও এসএস পাওয়ার লিমিটেড ২ নামে দুটি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি কার্যকরের দিন থেকে ৪৫ মাসের মধ্যে কেন্দ্র দুটি থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে। এস আলম গ্রুপের তথ্যমতে, ১৬ নভেম্বর ২০১৯ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করতে পারবে কেন্দ্র দুটি।

সালমান কেন ‘সিঙ্গেল’ জানালেন সুস্মিতা [Why Salman 'single' says Sushmita]

কবে বিয়ে করছেন সালমান খান? বর্তমানে বলিপাড়ায় সবচেয়ে বেশি চর্চিত প্রশ্ন এটি। বয়স ৫০ বছর পার হলেও এখনো ‘ব্যাচেলর’ সাল্লু ভাই। সম্প্রতি এ অভিনেতার ‘সিঙ্গেল’ থাকার কারণ জানিয়েছেন- সাবেক মিস ইউনিভার্স সুস্মিতা সেন।

সাংবাদিকরা বিভিন্ন সময় এ নিয়ে প্রশ্ন করলেও আশানুরূপ উত্তর কখনই মেলেনি। সালমান বিয়ে না করার কারণ সম্পর্কে সম্প্রতি তার সহ-অভিনয়শিল্পী সুস্মিতা সেনকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা।

এদিকে বয়স ৪০ পেরুলেও এখনো অবিবাহিত এই অভিনেত্রী। প্রশ্নের জবাবে সুস্মিতা বলেন, ‘অপনারা এই প্রশ্নটি এমন দুজন ব্যক্তিকে করেন যারা দুজনই সিঙ্গেল লাইফ উপভোগ করছেন। আর তারা কাউকে খুঁজে পাচ্ছেন না এ কারণে একা নেই, নিজের ইচ্ছেতেই এমনটা করছেন।’

সালমান বর্তমানে ব্যস্ত টিউবলাইট সিনেমার শুটিং নিয়ে। ইন্দো-চীন যুদ্ধ প্রেক্ষাপট নিয়ে নির্মিতব্য সিনেমায় সালমানের বিপরীতে দেখা যাবে চীনা অভিনেত্রী ঝু ঝুকে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন কবির খান।


[When Salman Khan to marry? Currently, the most commonly studied baliparaya in question. 50 years old, but still 'Bachelor' sallura brother. Recently, the actor's 'single', the former Miss Universe Sushmita Sen because janiyechena.


But never expected to answer questions of journalists at the time of the match. Salman to get married because her co-actor Sushmita Sen asked reporters recently.


The age of 40 is still unmarried actress peruleo. When asked Sushmita said, "If this question two men who'd both enjoy single life. For this reason alone they can not find anyone there, do it yourself icchetei. "


Stripelighting Salman is currently busy with the shooting of the movie. In contrast to the Indo-China war can be seen in the context of Chinese actress Zhou jhuke nirmitabya film actor. The film is directed by Kabir Khan.]


(* please excuse the not improved Google translation)

অবশেষে জঙ্গিবাদে মদদের অভিযোগ জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে মামলা করছে অসহিষ্ণু ভারত ! [Finally, at the behest of the insurgency has filed a complaint against Naik India intolerant!]

বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও বক্তা ডাক্তার জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে মদদের অভিযোগে মামলা করতে যাচ্ছে ভারত সরকার। অর্ধশতাধিক মানুষকে জঙ্গিবাদে অনুপ্রাণিত করার অভিযোগ করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ ছাড়া ভারত ইতোমধ্যে জাকির নায়েকের এনজিও ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশনকে (আইআরএফ) নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ভারত সরকারের উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং মহারাষ্ট্র সরকার জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে জঙ্গিবাদে মদদের অভিযোগে মামলা করতে যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, ‘বিতর্কিত’ ইসলামি বক্তব্য দিয়ে তিনি সাধারণ মুসলিমদের জঙ্গিবাদে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করেছেন।
জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে ভারতের অভিযোগের তালিকায় রয়েছে সাবেক আইআরএফ কর্মকর্তা ফিরোজ দেশমুখের ২০০৬ সালের অস্ত্র মামলা, ২০১২ সালে পুনে কারাগারে ভারতীয় মুজাহিদিন কাতিল আহমদ সিদ্দিকী হত্যাকাণ্ড এবং সেই সাথে ভারতের গোয়েন্দাবাহিনীর হাতে আটক আফসা জেবিন, মুদাব্বির শেখ, মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ খান, আবু আনাস এবং মোহাম্মদ নাফিস খানের জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হওয়ার েেত্রও জাকির নায়েক জড়িত বলে দাবি করছে ভারত সরকার।
ঢাকার গুলশানে সন্ত্রাসী হামলার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে। জাকির নায়েক অবশ্য আগেই জানিয়েছেন, ঢাকার গুলশানের হামলাকারীরা যে পথ নিয়েছে তা তিনি কোনো মতেই সমর্থন করেন না। এ বিষয়ে পবিত্র কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি তার অবস্থান স্পষ্ট করেন।


[Prominent Islamic scholar and speaker Dr. Zakir Naik to charges against the insurgency at the behest of the Government of India. Century to inspire people to militancy has been alleged against him. Besides India, the NGO Zakir Naik Islamic Research Foundation (aiaraepha) decided to ban.
Quoting a senior Indian government source told the Times of India, India’s Union Home Ministry and the Maharashtra government against the insurgency at the behest of Naik is filed. The charges against him, the controversial Islamic statements he has inspired ordinary Muslims to join the insurgency.
India is the list of charges against Naik, a former official Feroz Deshmukh aiaraepha arms 006 cases, 01 in Pune jail in connection with the murder of Indian Mujahideen katila Ahmed Siddiqui held by Indian intelligence JB Afsar, mudabbira Sheikh, Mohammed Obaidullah Khan, Abu Anas and Mohammad Nafis Khan eetrao Naik claims to be inspired by the insurgency involving the government of India.
The discussion comes after the terrorist attacks in the city’s Gulshan area. However, Naik said before, the way he Gulshan in Dhaka that the attackers do not support any means. In this regard, he cited the Quran at his position clear.]


(* please excuse the not improved Google translation)

এস আলম পাওয়ারের বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু [S Alam Power starts producing electricity]

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এস আলম কোল্ডরোল্ড স্টিলস লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠান এস আলম পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড আজ রোববার থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে।
কোম্পানিটির ১৩২তম পর্ষদ সভায় শনিবার পরিচালনা পর্ষদ এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
জানা যায়, জাপানের কারিগরি সহায়তায় ২৪৬ কোটি ৪৫ হাজার টাকা ব্যয়ে ২ ইউনিট বিশিষ্ট ১৭ মেগাওয়াট ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্ট ইতোমধ্যে স্থাপন করা হয়েছে। যা রোববার থেকে বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে।
উৎপাদিত বিদ্যুৎ এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলের বিভিন্ন প্রকল্পে সরবরাহ করা হবে। বাকি বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড এবং অন্যান্য খাতে বিক্রি করা হবে।
সূত্র আরও জানায়, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড বার্ষিক টার্নওভার হবে ১০৮ কোটি টাকা।
উল্লেখ্য, এস আলম পাওয়ারের ৭০ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলের কাছে রয়েছে।

[S Alam Steels Ltd, a subsidiary company listed koldarolda S Alam Power Generation Ltd today began commercial power generation.
Saturday 13 th meeting of the Board of Directors at the company’s board of directors decided.
However, Japan’s technical assistance at a cost of Rs 246 crore in two units with 45 MW captive power plant of 17 has already been set up. Sunday started commercial production of electricity.
S Alam Cold Rolled Steel rolada generated electricity will be supplied in a variety of projects. Rural Electrification Board and the approval of the Authority of the electricity will be sold to other sectors.
According to sources, the annual turnover of S Alam Power Generation Limited to 108 crore.
The S Alam power to 70 percent of the shares are owned by the S Alam Cold Rolled Steel rolada.]

(* please excuse the not improved Google translation)

UK minister Rory Stewart arrives Dhaka

UK’s Minister of State for International Development Rory Stewart arrived in Dhaka on Saturday evening (August 27).


The visit is to reaffirm the UK’s commitment to support Bangladesh to become an economically prosperous and developed nation.


During his visit, the minister will assess the latest progress made by UK aid in support of the Government of Bangladesh’s aim to achieve middle income status within the next decade, said a press release.


Rory Stewart said "The UK and Bangladesh have a longstanding, close friendship built on a shared history and mutual interests including development, bilateral trade, and security.


“During this visit I look forward to strengthening the UK’s bond with Bangladesh further. The UK cares deeply about the Bangladeshi people and will continue to support their efforts to create a more peaceful and prosperous future, which is firmly in our two countries’ interest”, he added


UK support is helping to build a safer, healthier and more prosperous world which is firmly in the interests of both countries.


The Minister will meet a range of people including the top government officials, development partners, civil society, the business community and most importantly ordinary Bangladeshis who have been benefited from the UK’s support.

Thursday, August 25, 2016

৬৪টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্ন রুপ(elaboration) জেনে রাখুন, কখনও কাজে লেগে যেতে পারে।

১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information Resource Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile Telecommunication System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for GSM [Global System for Mobile Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless Application Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus.

হাসপাতাল থেকে স্ত্রীর লাশ কাঁধে নিয়ে ১০ কি.মি. হাঁটা – আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হল উৎপীড়িত ও বঞ্চিত বুকের ক্রন্দনরোল !

”আমি সেই দিন হব শান্ত যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দনরোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হবেনা” -আমাদের জাতীয় কবি এমন প্রত্যাশার আক্ষেপ নিয়েই নির্বাক হয়ে এই ধরাধাম ত্যাগ করেছেন। কবির সেই আপ্ত বাক্যেরই বিমূর্ত প্রতিচ্ছবি আমরা আজও দেখতে পেলাম আজকের দানা মাঝির মাঝে।


হাসপাতালে মারা গেছেন প্রিয়তমা স্ত্রী। লাশ নিয়ে ফিরতে হবে বাড়িতে। এদিকে অর্থনৈতিকভাবেও স্বচ্ছল নন তিনি। হাসপাতালে অনুরোধ করেও মেলেনি সাহায্য।


কিন্তু স্ত্রীর মরদেহ তো আর ফেলে রাখা যায় না। বাধ্য হয়েই তিনি স্ত্রীর লাশ কাঁধে তুলে নেন; সঙ্গী ১২ বছর বয়সি মেয়ে। এভাবেই স্ত্রীর মরদেহ কাঁধে নিয়ে ১০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন স্বামী।


ঘটনাটি ঘটেছে, ভারতের উড়িষ্যায়। দানা মাঝির স্ত্রী আমাং দেই যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। গত মঙ্গলবার ভবানী পাটনার জেলা হেডকোয়ার্টারস হাসপাতালে তিনি মারা যান।


গত ফ্রেব্রুয়ারিতে উড়িষ্যা সরকার ‘মহাপ্রয়াণ’ নামে একটি প্রকল্প চালু করেছে। প্রকল্প অনুযায়ী আর্থিক সামর্থ্যহীন পরিবারের মৃতদেহ হাসপাতাল থেকে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া হবে। সেজন্য ৩৭টি সরকারি হাসপাতালে ৪০টি লাশবাহী গাড়িও দেওয়া হয়েছে।


অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছল হওয়ায় নিজে কোনো যানবাহনের ব্যবস্থা করতে পারেননি। তাই স্ত্রীর লাশ বাড়িতে নেওয়ার জন্য দানা মাঝি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্য চান। কিন্তু নিজের আর্থিক দৈন্যের কথা বলেও কর্তৃপক্ষের মন গলাতে ব্যর্থ হন তিনি।


এদিকে হাসপাতাল থেকে বাড়ির দূরত্ব কিন্তু কম নয়, ৬০ কিলোমিটার। তবুও দানা মাঝি এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন। স্ত্রীর লাশ কাঁধে নিয়েই ১২ বছর বয়সি মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হয়ে যান।


পথে মাঝির এই কাণ্ড দেখে তৈরি হয় চাঞ্চল্য। এরপর স্থানীয় জেলা কালেক্টরকে বিষয়টি অবগত করা হয়। সঙ্গে সঙ্গেই তারা একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেন। এরপর বাকি ৫০ কিলোমিটার পথ অ্যাম্বুলেন্সে করে স্ত্রীর লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরেন দানা মাঝি।

চিটাগং এর সন্তান অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ)’র নতুন উপাচার্য

অধ্যাপক ড.মাহফুজুল হক চৌধুরী:


১৯৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করা ড.মাহফুজুল হক চৌধুরী চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের মরহুম জহিরুল্লাহ চৌধুরীর সন্তান।  ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ থেকে বিএ (সম্মান) এবং ১৯৭৮ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৯ সালে প্রভাষক হিসেবে চবি’র রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগে যোগদান করে ১৯৯৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ১৯৯২ সালে  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং ২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাদার্ন ইলিনইস বিশ্ববিদ্যালয়, ২০০৬ সালে জাপানের টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় এবং ২০১৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ডিউক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোস্ট ডক্টরাল ডিগ্রি অর্জন করেন।  বিভিন্ন গবেষণা কাজের জন্য পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার।


বন্দরনগরী চট্টগ্রামের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় অনন্য সংযোজন চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ)। ১৯৯৯ সালে ঢাকাস্থ ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ বা আইইউবি’র শাখা ক্যাম্পাস হিসেবে যাত্রা শুরু হলেও, ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বাংলাদেশ সরকার ও ইউজিসি’র অনুমোদন লাভ করে। শিক্ষার মানোন্নয়নে যুগোপযোগী পদক্ষেপ, অভিজ্ঞ ও বিদেশি ডিগ্রিধারী শিক্ষকদের উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়কে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। সমাজ সেবার অঙ্গীকার নিয়ে গঠিত ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এ বিশ্ববিদ্যালয়। কর্তৃপক্ষ আশা করছেন আগামী ১০ বছরে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ আইডিয়াল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাবে।


রাজনৈতিক অস্থিরতা, যুগোপযোগী শিক্ষার অভাব, নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়া এবং কাঙ্খিত বিষয়ে পড়ার সুযোগ না পাওয়ায় বেসরকারি বিশ্বদ্যিালয়ের দিকে ঝুঁকছে শিক্ষার্থীরা। কিন্তু মানসম্পন্ন শিক্ষার অভাব, ইউজিসি রুলস না মানাসহ বিভিন্ন কারণে বিতর্কিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। উচ্চশিক্ষা নিয়ে বাংলানিউজের সঙ্গে কথা বলেন বন্দরনগরীতে বেসরকারি পর্যায়ে অন্যতম সেরা চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মাহফুজুল হক চৌধুরী।


তিনি বাংলানিউজকে বলেন, বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও যেসব বিশ্ববিদ্যালয় মানসম্পন্ন শিক্ষা দান করছে সেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের পড়ার আগ্রহ রয়েছে।


শিক্ষা দানে সিআইইউ নর্থ আমেরিকান কারিকুলাম পদ্ধতি অনুসরণ করে থাকে জানিয়ে তিনি বলেন, এখানের শিক্ষকরা বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ ডিগ্রিধারী। ফলে মানসম্পন্ন শিক্ষা আমরা নিশ্চিত করতে পারছি।


কেবল চট্টগ্রাম নয়, পুরো দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই অধ্যাপক বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হলেও স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি। এতে যে কোন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।


বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের রুলস অনুযায়ী সিআইইউ পরিচালনা করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকল অনুষদে ডিন ও বিভাগের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে প্রতিমাসে শিক্ষার মানসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করে সমস্যা চিহ্নিত করি।


বিশাল লাইব্রেরি, খেলার মাঠ, পর্যাপ্ত অবকাঠামোসহ স্থায়ী ক্যাম্পাস গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ বলেন, এখন থেকে প্রতিমাসে শিক্ষকদের সঙ্গে, প্রতি সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বছরে একবার অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করবো।


তিনি বলেন, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অস্থায়ী শিক্ষক দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর প্রতি ঝোঁক বেশি। তবে এখানে অধিকাংশই স্থায়ী শিক্ষক। যেসব বিভাগে শিক্ষক সংখ্যা কম সেখানে নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।


অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় সিআইইউতে টিউশন ফি বেশি কেন জানতে চাইলে ড.মাহফুজুল হক বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে ভাল শিক্ষক দরকার। ভাল শিক্ষক মানে ভাল বেতন, সুযোগ সুবিধা। ল্যাব, লাইব্রেরি অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও প্রয়োজন। যা এখানে শতভাগ নিশ্চিত করা হয়। ফলে এখানে ফি অনেক বেশি।


বেসরকারি অনেক বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ম কানুন মেনে না চলায় সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় শুরু হয়েছে আমেরিকা থেকে। সেখানে সৎ উদ্দেশ্য এবং সমাজ সেবার ব্রত নিয়ে ব্যবসায়ীরা ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। ওই বোর্ডের অধীনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জাতির সেবা করেন। সেখান থেকে আর্থিক কোন সুবিধা তারা আশা করে না। কিন্তু আমাদের দেশে বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে চালু হওয়াতে শিক্ষার মান ঠিক রাখতে পারছে না।


সিআইইউ দেশের নাম করা ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ট্রাস্টি বোর্ডের মাধ্যমে পরিচালিত হয় জানিয়ে তিনি বলেন, তারা প্রকৃত অর্থেই একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে সমাজ সেবা করতে চায়। এখান থেকে কোন সুবিধা তারা নেন না।


আগামী ১০ বছরের মধ্যে একটি আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের সুযোগ সুবিধা নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই শিক্ষকের।

প্রফাইল পরিচিতিঃ চট্টগ্রামে নতুন জেলা প্রশাসক মো.শামসুল আরেফিন

১৪ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার রাতে ১১ জেলার নতুন ডিসি এবং তিন ডিসির দপ্তর বদল করে আদেশ জারি করেছে।এর মধ্যে চট্টগ্রামের ডিসি মেজবাহ উদ্দিনকে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব করা হয়েছে। রাঙ্গামাটির ডিসি মো. শামসুল আরেফীনকে চট্টগ্রামের ডিসি করা হয়েছে। গতকাল রাতে মুঠোফোনে তার বদলীর আদেশ পেয়েছেন বলে জানান।


মো: সামসুল আরেফিনের জন্ম মাদারীপুর জেলায়। তিনি মাদারীপুর সদর উপজেলার লালবাড়ি গ্রামের, নিউ টাউন, কুকরাইল এলাকার বাসিন্দা।শিক্ষা জীবন শেষ করে তিনি ১৯৯৩ সালের ৪ জানুয়ারী কর্মস্থলে প্রবেশ করেন।এর আগে তিনি সহকারী কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাচন অফিসার, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, সহকারী কমিশনার (ভূমি), ঘিওর, মানিকগঞ্জ সহকারী কমিশনার, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, সহকারী কমিশনার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পদায়নের জন্য ন্যস্ত, ভূমি মন্ত্রণালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, গোপালপুর, টাঙ্গাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কালিগঞ্জ, সাতক্ষীরা উপ-পরিচালক,কারিগরি শিক্ষা বোর্ড, মন্ত্রীর একান্ত সচিব, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়, উপ-সচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ, অর্থ মন্ত্রনালয় এবং বর্তমানে জেলা প্রশাসক, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা কর্মরত আছেন।অন্যান্য যাদেরকে পদায়ন করা হয়েছেঃ অর্থ বিভাগের উপসচিব মো. জহির রায়হানকে কুষ্টিয়া, ওএসডি উপসচিব মোহাম্মদ মানজারুল মান্নানকে রাঙ্গামাটি এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপসচিব রাব্বী মিয়াকে নারায়ণগঞ্জের ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান সরকার গোপালগঞ্জ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব উম্মে সালমা তানজিয়া ফরিদপুর এবং ঢাকা গভর্নেস ইনোভেশন ইউনিটের পরিচালক কামরুন নাহার সিদ্দীকা সিরাজগঞ্জের ডিসির দায়িত্ব পেয়েছেন।গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সায়লা ফারজানাকে মুন্সীগঞ্জ, কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক আবুল ফয়েজ মো. আলাউদ্দিন খানকে লালমনিরহাট এবং রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের উপসচিব তপন কুমার বিশ্বাসকে বাগেরহাটের ডিসি করেছে সরকার।এছাড়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপসচিব মো. তোফায়েল ইসলামকে মৌলভীবাজার এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা খাতুনকে নাটোরের ডিসি করা হয়েছে। বাগেরহাটের ডিসি মো. জাহাঙ্গীর আলমকে কুমিল্লা এবং নাটোরের ডিসি মো. খলিলুর রহমানকে ময়মনসিংহের ডিসি হিসেবে বদলি করে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।নারায়ণগঞ্জের ডিসি মো. আনিসুর রহমান মিয়াকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পরিচালক এবং ময়মনসিংহের ডিসি মুস্তাকিম বিল্লাহ ফারুকীকে ঢাকা ওয়াসার সচিব করা হয়েছে। গোপালগঞ্জের ডিসি মো. খলিলুর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক, মৌলভীবাজারের ডিসি মো. কামরুল হাসানকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব করা হয়েছে। মুন্সীগঞ্জের ডিসি মো. সাইফুল হাসান বাদলকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব, লালমনিরহাটের ডিসি মো. হাবিবুর রহমানকে বিমান মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব করেছে সরকার।কুষ্টিয়ার ডিসি সৈয়দ বিল্লাল হোসেনকে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপ-সচিব এবং কুমিল্লার ডিসি মো. হাসানুজ্জামান কল্লোলকে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপসচিব করা হয়েছে। এছাড়া ফরিদপুরের ডিসি সরদার সরাফত আলীকে বিমান মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব এবং সিরাজগঞ্জের ডিসি মো. বিল্লার হোসেনকে কৃষি মন্ত্রণালয় উপ-সচিব করে আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

Wednesday, August 24, 2016

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১২ অথবা ১৩ সেপ্টেম্বর ঈদুল আজহা

ধর্মসচিব মো. আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ধর্মসচিব বলেন, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১২ অথবা ১৩ সেপ্টেম্বর ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ পালিত হবে। ঈদের দিন সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, শিশুসদনসহ সরকারি বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে।


এই সভায় ঢাকার দুই সিটি মেয়র এবং গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ হলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে সকাল সাড়ে ৮টায় হবে প্রধান জামাত।


দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ঈদের জামাত স্থানান্তরের বিষয়টি তদারক করবেন ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার।


আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

শাহজালালে 'রিজেন্ট এয়ারওয়েজ'র ফ্লাইটে আগুন

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বেসরকারি বিমানসংস্থা রিজেন্ট এয়ারওয়েজের সিঙ্গাপুরগামী একটি ফ্লাইটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।


বুধবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে উড্ডয়নের সময় ফ্লাইটটির ডান পাশের চাকায় (লুস হুইলার) আগুন ধরে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও নিরাপত্তাকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে সমকালকে জানান বিমানবন্দরের সিভিল এভিয়েশন বিভাগের জনসংযোগ কর্মকর্তা একেএম রেজাউল করিম।তিনি বলেন, 'এতে হতাহতের কোন ঘটনা ঘটেনি।

রিজেন্টের ওই ফ্লাইটে ছয়জন ক্রু ও ১১০ জন যাত্রী ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন একেএম রেজাউল করিম।

ফ্লাইটে আগুন লাগার পর নামার সময় কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তা নিশ্চিত করতে পারেনি।

এদিকে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘ্টনার পর শাহজালালে প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা ফ্লাইট উড্ডয়ন ও অবতরণ বন্ধ ছিল। ওই সময় ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের চট্টগ্রাম থেকে আসা একটি ফ্লাইট আবার চট্টগ্রামে এবং সৈয়দপুর থেকে ঢাকায় আসা আরেকটি ফ্লাইট সিলেটে গিয়ে অবতরণ করে।

অনেক চেষ্টা করেও এ বিষয়ে রিজেন্ট এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামের নতুন ডিসি শামসুল আরেফীন, উপসচিব হলেন মেজবাহ উদ্দিন

চট্টগ্রামের ডিসি মেজবাহ উদ্দিনকে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-সচিব করা হয়েছে। রাঙ্গামাটির ডিসি মো. শামসুল আরেফীনকে চট্টগ্রামের নতুন ডিসি করা হয়েছে। ১৪ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় গতকাল মঙ্গলবার ২৩ আগস্ট রাতে ১১ জেলার নতুন ডিসি এবং তিন ডিসির দপ্তর বদল করে আদেশ জারি করেছে।


‌‘আমিও গণমাধ্যম পরিবারের একজন’


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেকে গণমাধ্যম পরিবারের একজন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আজ বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের শাপলা হলে অসুস্থ, অস্বচ্ছল ও দুর্ঘটনায় আহত এবং নিহত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সহায়তা ও অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেহাদ পত্রিকার তৎকালীন পূর্ববঙ্গের প্রতিনিধি ছিলেন। বঙ্গবন্ধু তার অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে এ সম্পর্কে অনেক কথাই লিখেছেন। সেদিক থেকে আমিও গণমাধ্যম পরিবারেরই একজন সদস্য।


শেখ হাসিনা বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট স্থাপনে আমার ব্যক্তিগত আগ্রহ কাজ করেছে। আপনারা (সাংবাদিক) কেউ আমাকে কোনো পরামর্শ দেননি। নিজ উদ্যোগে করেছি। এ বিষয়ে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলাম জাতির পিতার কাছ থেকে। কেননা জাতির পিতা সংবাদপত্রে কাজ করতেন।


এর আগে প্রধানমন্ত্রী অসুস্থ, অস্বচ্ছল ও দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক এবং নিহত সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সহায়তা ও অনুদানের চেক বিতরণ করেন।


সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় প্রথমবারের মতো ১৯৬ জন দুস্থ, অসুস্থ, দুর্ঘটনায় আহত সাংবাদিক ও নিহত সাংবাদিকদের পরিবারকে এক কোটি ৪০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। ২০১২ সালে সাংবাদিক সহায়তা অনুদান ও ভাতা নীতিমালা প্রণয়ন করে সরকার।


অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবাহান চৌধুরী, তথ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি কে এম রহমত উল্লাহ, তথ্য সচিব মরতুজা আহমদ প্রমুখ।




ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অনুদান দিয়েছেন ড. ইউনূস, বিবিসির প্রতিবেদন

হিলারি ক্লিনটন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে তার সঙ্গে যারা ব্যক্তিগত কারণে দেখা করেছেন, তাদের অর্ধেক ব্যক্তি নিজে বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অনুদান দিয়েছেন বলে বার্তা অ্যাসেসিয়েট প্রেস জানতে পেরেছে।


অ্যাসোসিয়েট প্রেস বলছে, এই তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশের নোবেল জয়ী মুহাম্মদ ইউনুসও।


নতুন এই তথ্যের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রেসিডেন্ট হিসাবে হিলারি ক্লিনটনের নীতিকথার বিষয়টি আবার প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা কালে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে তিনবার দেখা করেছেন বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী মুহাম্মদ ইউনুস এবং টেলিফোনে কয়েকবার কথা বলেছেন। ।


এ সময় বাংলাদেশের গ্রামীণ ব্যাংকের দায়িত্ব থেকে মুহাম্মদ ইউনুসকে পদত্যাগে দেশটির সরকার চাপ দিচ্ছিল। সে কারণে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে দেখা করে সাহায্য চেয়েছিলেন মুহাম্মদ ইউনুস। তাকে সাহায্য করার কোন পন্থা খুঁজে বের করতে সহকারীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন হিলারি ক্লিনটন।


এপি বলছে, এ সময় গ্রামীণ আমেরিকা, যে সংস্থাটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে রয়েছেন মি. ইউনুস, ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে এক লাখ থেকে আড়াই লাখ ডলার অনুদান দিয়েছে। গ্রামীণ রিসার্চ নামের আরেকটি প্রতিষ্ঠান,যেটির

চেয়ারম্যানের দায়িত্বেও রয়েছেন মি. ইউনুস, সেই প্রতিষ্ঠান থেকেও ২৫ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার অনুদান দেয়া হয়েছে।


তবে ব্যাংকের মুখপাত্র বেকি অ্যাশ বলছেন, ওই ফাউন্ডেশনের ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ সম্মেলনে অংশগ্রহণের ফি হিসাবে ওই ডলার দেয়া হয়েছে।


স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, দায়িত্ব পালনকালে ব্যক্তিগত কারণে হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে দেখা করা বা ফোনে আলাপ করা ১৫৪জন ব্যক্তির মধ্যে ৮৫জনই তাদের পারিবারিক ফাউন্ডেশনে অনুদান দিয়েছেন। তাদের মোট অনুদানের পরিমাণ ১৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।


তবে এই ১৫৬জনের তালিকায় মার্কিন ফেডারেল কর্মকর্তা বা বিদেশী সরকারের কর্মকর্তাদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।


এপি জানতে পেরেছে যে, হিলারি ক্লিনটনের সঙ্গে যারা সরাসরি বা ফোনে ব্যক্তিগত কারণে আলাপ করেছেন আর যারা ক্লিনটন ফাউন্ডেশনে অনুদান দিয়েছেন, তাদের মধ্যে যেন একটি যোগসূত্র রয়েছে।


যদিও এর ফলে মার্কিন কোন আইন ভঙ্গ হয়নি। কিন্তু পুরো ব্যাপারটার মধ্যে একটি ইঙ্গিত রয়েছে যেন, তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের সাক্ষাতের বিনিময়েই তারা ওই অনুদান দিয়েছেন।


সম্প্রতি হিলারি ক্লিনটনের যেসব ব্যক্তিগত ইমেইল এবং প্রকাশ হয়েছ, সেখানেও দেখা যাচ্ছে যে শীর্ষ অনুদান দাতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।


তবে এপির ওই বিশ্লেষণকে ত্রুটিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন হিলারি ক্লিনটনের মুখপাত্র ব্রায়ান ফ্যালোন। তিনি বলছেন, হিলারি ক্লিনটনের বৈঠকগুলোকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে এবং তাকে একপাক্ষিকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসাবে তার দায়িত্ব পালনের প্রথম অর্ধেকটা সময় এখানে উল্লেখ করা হয়েছে, পুরো সময়টা নয়।


এদিকে এই ঘটনার জেরে সমালোচনা মুখর হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।


তিনি বলছেন, এখন এটা বোঝা খুবই কঠিন যে, কোথায় ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের শেষ আর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শুরু। কারণ হিলারি ক্লিনটন পাবলিক অফিস ব্যবহার করে ব্যবসা শুরু করেছিলেন।


২০০০ সাল থেকে ক্লিনটন ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরুর পর এ পর্যন্ত ৬ হাজার দাতা ২ হাজার কোটি ডলার দান করেছেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতে অনুদান ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছেন হিলারি ক্লিনটন।


কিন্তু কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ডগলাস হোয়াইট মনে করেন, এটা হয়তো খুব সহজ হবে না। কারণ এই ৬ হাজার দাতাতে এড়িয়ে যাওয়াটা তার জন্যে সহজ হবে না।

অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত বাণিজ্যঃ চট্টগ্রাম মহানগরের তিন লেনের রাস্তা রূপ নেয় এক লেনে !

অবৈধ পাকিংকে তিন লেনের রাস্তা রূপ নেয় এক লেনে ।। ফুটপাত-রাস্তায় হকার পাকিং ।। আমরা গাড়ি চলার চিন্তা করি, কিন্তু কোথায় থামবে সেজন্য পরিকল্পনা করি না : বুয়েট বিশেষজ্ঞ ।। মাত্র ২ শতাংশ লোকের (গাড়ির মালিক ও দোকানদার) জন্য নগরবাসী ফুটপাতে হাঁটার অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন । এটা মেনে নেয়া যায় না : স্থপতি জেরিনা হোসেন


met034চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরীর করা নগরীর একমাত্র শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পাবলিক টয়লেট ছিল জিইসি মোড়ে। আর এর উপরে ছিল জামান হোটেল। ভবনটির পার্কিং স্পেসে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করার কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে তা ভেঙে গাড়ির পার্কিং স্পেস তৈরি করা হয়েছিল। একইভাবে ইফকো কমপ্লেক্স ভবনের নিচতলার দোকানগুলো ভেঙে পার্কিং স্পেস নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু এখন এসব স্থানে গড়ে উঠেছে দোকান, বিপরীতে ফুটপাত ও রাস্তাই হয়ে উঠেছে পার্কিংয়ের স্থান। এই চিত্র শুধু নগরীর জিইসি মোড় এলাকা নয়, পুরো নগরীর। পুরো নগরীই যেন অঘোষিত পার্কিং স্পেস।
‘আমরা শুধু গাড়ি চলার চিন্তা করি কিন্তু থামার চিন্তা করি না’ জানিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক এবং ট্রাফিক বিশেষজ্ঞ ড. সামসুল হক বলেন, ‘জরিপে দেখা গেছে একটি গাড়ি তার জীবদ্দশায় ৫ শতাংশ সময় রাস্তায় চলে। ৯৫ শতাংশ সময় অফিসে, বাসায় কিংবা মার্কেটে বসে থাকে। আমরা সবাই প্ল্যানিং করি রাস্তায় চলাচলের কথা মাথায় রেখে। কিন্তু যে ৯৫ শতাংশ সময় বসে থাকে তা নিয়ে কোনো প্ল্যানিং করি না।’
বুয়েটের এই বিশেষজ্ঞ আরো বলেন, ‘কোথায় কোথায় এসব পার্কিং স্পেস হবে তা নগর পরিকল্পনার অংশ। এখন আমাদের নগর নিয়ে যারা পরিকল্পনা করেন তাদেরকে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে। ভবনে পার্কিং স্পেস নিশ্চিত করার দায়িত্ব চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ)। পার্কিং স্পেস নিশ্চিত করতে না পারলে ও পার্কিং হাব তৈরি করতে না পারলে রাস্তাজুড়ে গাড়ি পার্ক হবে এটাই স্বাভাবিক।’
ড. সামসুল হকের সাথে সহমত পোষণ করে পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের প্রকৌশলী সুভাষ বড়ুয়া বলেন, আমাদের রাস্তাগুলো পর্যাপ্ত চওড়া রয়েছে। রাস্তার চওড়া নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। কিন্তু তিন লেনের রাস্তার একলেন, আবার কোথাও কোথাও তা দুই লেন পর্যন্ত থাকে পার্কিং ও অবৈধ দখলে। ফলে চওড়া রাস্তা থাকার সুবিধা আমরা নিতে পারি না এবং যানজট হচ্ছে। গত কয়েকদিন নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রায় সব সড়কেই রয়েছে অবৈধ পার্কিং ও ফুটপাত দখলের ঘটনা। এমনকি এমন অনেক এলাকা রয়েছে যেখানে ফুটপাতের ওপর গাড়ি পার্ক করে রাখা হয়েছে। মানুষ হাঁটাচলার কোনো জায়গা নেই। গত ১৬ আগস্ট দুপুরে আগ্রাবাদ বাদামদতলী মোড় থেকে দেওয়ানহাট মোড় পর্যন্ত দেখা যায় রাস্তার উভয়পাশে পুরো এক লাইন করে গাড়ি পার্ক করা রয়েছে। এরমধ্যে আগ্রাবাদ বাদামতলী মোড় থেকে চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিস পর্যন্ত রাস্তার উভয়পাশের ব্যাটারি ও রডের দোকান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে যারা পণ্য কিনতে আসছেন তাদের গাড়ির সাথে রয়েছে দোকান মালিকদের গাড়ি। অপরদিকে, চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিস থেকে দেওয়ানহাট মোড় পর্যন্ত গাড়ির ব্যাটারির দোকান, গাড়ির যন্ত্রাংশের দোকান ও গাড়ির গ্লাসের দোকানের সামনে সারিবদ্ধভাবে পার্ক করা থাকে গাড়ি। রাস্তার ওপর গাড়ির যন্ত্রপাতি লাগানো ও মেরামতের কারণে সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় আগ্রাবাদ শেখ মুজিব রোডের আলোচ্য অংশে যানজট লেগেই থাকে। বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের সামনে থেকে গাড়িগুলো ডান দিকে মোড় নেয়ায় এখানেও প্রায়ই দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
সিডিএ এভিনিউ’র উভয় পাশে পার্কিং স্থান
গরীবুল্লাহ শাহ মোড় থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত রাস্তার উভয় পাশের একটি লেন অঘোষিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে পার্কিংয়ের স্থান হিসেবে। গরীবুল্লাহ শাহ মোড় থেকে ইউনুস্কো জিইসি কনভেনশন সেন্টারের আগ পর্যন্ত থাকা রেস্টুরেন্ট, মার্কেট ও বাণিজ্যিক ভবনগুলোর গাড়ি রাস্তা ও ফুটপাতের ওপরে পার্ক করা থাকে। হাঁটার জন্য পথচারীকে রাস্তার ওপর দিয়ে অথবা গাড়ির ফাঁক দিয়ে হাঁটতে হয়। ইউনুস্কো শপিং সেন্টারে পার্কিং স্পেস থাকার পরও মার্কেটের সামনের ফুটপাত ও রাস্তায় গাড়ি পার্ক করা থাকে। আর এর পাশের মদিনা টাওয়ারের পার্কিং স্পেসটি বন্ধ করে রাখা হয়েছে। একইভাবে রাস্তার বিপরীত দিকে পেনিনসুলা থেকে ব্লুসম গার্ডেনের আগ পর্যন্ত রাস্তাটির একটি লেনে সারিবদ্ধভাবে গাড়ি পার্ক করা থাকে। এই জায়গাটি ফ্লাইওভার করার আগে বৈধ পার্কিং স্পেস হলেও ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজ শুরুর পর তা আর পার্কিং স্পেস হিসেবে নেই বলে সিডিএ থেকে জানা যায়।
অপরদিকে, সিডিএ এভিনিউ টাওয়ারটিতে ঢাকা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক ও হোটেল প্যাভেলিয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অফিস থাকলেও ভবনের পার্কিং স্থানটি বন্ধ করে রাখা হয়।
জিইসি মোড় থেকে নাসিরাবাদ বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের আগ পর্যন্ত এস্থানে অনেকগুলো রেস্টুরেন্ট, বাণিজ্যিক অফিস রয়েছে। এখানকার ইফকো কমপ্লেক্সের নিচতলা পুরোটা পার্কিং হিসেবে বরাদ্দ থাকায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সব ভেঙে দিয়ে পার্কিং স্পেস গড়ে তোলা হয়েছিল। এখন আবার নিচতলায় দোকান গড়ে উঠেছে এবং গাড়িগুলো সব রাস্তায় ও ফুটপাতে পার্ক করা থাকে সবসময়। বিপরীত দিকে কামাল স্টোরের সামনে থেকে সানমার ওশ্যান সিটি পর্যন্ত রাস্তায় ও ফুটপাতে গাড়ি পার্ক করা থাকে।
ষোলশহর ফরেস্ট গেট থেকে মুরাদপুর পর্যন্ত রাস্তার উভয়পাশে গাড়ি পার্ক করা থাকে, একইভাবে মুরাদপুর থেকে বহদ্দারহাট পর্যন্ত কোথাও ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে দোকানের সামগ্রী আবার কোথাও পার্কিং।
জুবিলী রোডের ফুটপাত ও রাস্তা গাড়ির দখলে
জুবিলী রোডে হার্ডওয়ার, মেশিনারিজ পার্টস, টাইলসের দোকান, পাইপের দোকান, পর্দা ও ফোমের দোকান রয়েছে। রাস্তার একটি লেন দখল করে এসব দোকানের পণ্য লোডিং ও আন-লোডিংয়ের কাজ চলে। ব্যবসায়ীদের ভাব, যেন রাস্তার মালিক তারা। শুধু রাস্তায় নয়, ফুটপাতের পুরো অংশজুড়ে পাইপ ও লোহার বিভিন্ন সামগ্রী রেখে দেয়া হচ্ছে বিক্রির জন্য। দেখলে মনে হবে যেন, ফুটপাতটি তাদের দোকানের সম্পত্তি। এ বিষয়ে সংবাদকর্মী পরিচয় গোপন করে ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, পুরো নগরীতে দোকানের সামনের অংশটি ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরাও করছি। এতে কারো আপত্তি থাকার কথা নয়। আর মানুষ হাঁটার জন্য পাশে জায়গা রাখা হয়েছে।
নিউমার্কেট, জিপিওর সামনে ও স্টেশন রোড ফুটপাত হকারদের দখলে
স্টেশন রোডের পুরাতন রেল স্টেশন থেকে শুরু করে আমতলা মোড় পর্যন্ত পুরো বেষ্টনির ফুটপাত দখল করে রেখেছে হকাররা। যেখানে হকার নেই সেখানকার ফুটপাত দখল করে আছে গাড়ি। বাধ্য হয়ে রাস্তা দিয়েই হাঁটতে হয় পথচারীকে। জিপিওর সামনের ফুটপাত দোকান ও ভাসমান হকারদের দখলে থাকে।
কাপাসগোলা-বহদ্দারহাট ফুটপাতে ট্যাক্সির গ্যারেজ
নগরীর কাপাসগোলা থেকে বহদ্দারহাট মোড় পর্যন্ত রাস্তার একপাশ সিএনজি ট্যাক্সির স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। রাস্তার উভয়পাশে সিএনজি ট্যাক্সির গ্যারেজ থাকায় অনেকেই রাস্তার ওপরে সিএনজি রেখে তা মেরামতের কাজ করছে। দুই লেনের রাস্তাটির দুই দিক দিয়ে চেপে ধরেছে ট্যাক্সি পার্কিং স্ট্যান্ড।
পার্কিং মেডিকেলের সামনের রাস্তায়ও
কেবি ফজলুল কাদের চৌধুরী রোডের অলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মোড় থেকে প্রবর্তক মোড় পর্যন্ত রাস্তার একপাশজুড়ে থাকে ক্লিনিককন্দ্রিক পার্কিং। ওষুধের দোকান, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালগুলোর নিজস্ব পার্কিং স্পেস না থাকায় রাস্তার ওপরেই গাড়ি পার্ক করা থাকে। একইভাবে অনেক হাসপাতালের পার্কিং স্থান থাকলেও তা শুধুমাত্র ওই হাসপাতালের চিকিৎসক কিংবা কর্মকর্তাদের পার্কিং স্পেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। রোগীদের গাড়ি এসব স্থানে পার্ক করা যায় না।
স্টেডিয়াম পাড়ায় নেই কোনো পার্কিং স্পেস
চট্টগ্রাম এম এ আজিজ স্টেডিয়ামকে কেন্দ্র করে চারপাশে গড়ে উঠেছে অনেকগুলো রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টের পাশাপাশি এই এলাকায় রয়েছে চট্টগ্রামের প্রথম পাঁচ তারকা হোটেল র‌্যাডিসন ব্লু বে ভিউ, রয়েছে হল ২৪, চট্টগ্রাম ক্লাব, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন ও লেডিস ক্লাব। স্টেডিয়াম পাড়ার রেস্টুরেন্টের সামনে এক লেন দখল করে সন্ধ্যার পর সারিবদ্ধভাবে পার্কিং থাকে, আর যদি চট্টগ্রাম ক্লাব, হল ২৪, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বা লেডিসক্লাবে কোনো অনুষ্ঠান থাকে তাহলে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে স্টেডিয়াম মোড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন পর্যন্ত দীর্ঘ জটলা লেগে থাকে।
নগর বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য
স্থপতি জেরিনা হোসেন বলেন, ফুটপাত নাগরিকের অধিকার। একইভাবে রাস্তায় নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারাও তাদের অধিকার। কিন্তু মাত্র ২ শতাংশ (গাড়ির মালিক ও দোকানদার) মানুষের জন্য নগরবাসী সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।’
তিনি আরো বলেন, ‘সিডিএ নগরীর ভবনগুলোতে পার্কিং স্পেস রাখার বিষয়টি মনিটরিং না করার কারণে দিন দিন তা ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। একইভাবে ফুটপাতগুলো দখল করে রেখেছে পাশের দোকানদাররা।’
এদিকে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ)’র নগর পরিকল্পনাবিদ আবু ঈসা আনসারী বলেন, ‘যেকোনো বাণিজ্যিক এলাকায় পার্কিংয়ের জন্য একটি স্থান নির্ধারিত থাকে। সেখানে বাণিজ্যিকভাবে পার্কিং গড়ে ওঠে। বেসরকারি উদ্যোগে কেউ না কেউ এ ধরনের পার্ক গড়ে তুলতে পারে। আর তা হলে এ ধরনের ভাসমান পার্ক ওই নির্ধারিত জায়গায় হবে এবং নগরজুড়ে পার্কিং থাকবে না।’ তিনি আরো বলেন, ‘সিডিএ একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান। সিডিএ এ ধরনের পার্কিং স্থান গড়ে তুলতে পারে না।’
মেট্রোপলিটন দোকান মালিক সমিতির বক্তব্য
ফুটপাত ও রাস্তা দখল করে রাখার কথা স্বীকার করে চিটাগাং মেট্রোপলিটন শপ ওনার্স এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে মার্কেট ও দোকানের নিচতলা পার্কিংয়ের জন্য খালি করা হয়েছিল, আমরাও তা করেছি। পরবর্তীতে সময় পরিবর্তনের সাথে নিচতলায় আবারো দোকান গড়ে উঠেছে। প্রশাসনের কর্তারা (সিডিএ) কিছু বলেন না, আর সেই সুযোগ নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরাও। এতে নগরীতে দিন দিন যানজট বাড়ছে।‘
তিনি আরো বলেন, ‘জিইসি মোড়ে ওয়েলফুডের সামনে কোনো পার্কিং স্পেস নেই, ফুটপাতের ওপরে গাড়ি পার্ক করে। যেখানে সিডিএ চেয়ারম্যানের প্রতিষ্ঠানের এই অবস্থা সেখানে আমি আপনি (প্রতিবেদক) সেই সুবিধা নেব না কেন ?’
সিডিএ’র বক্তব্য
চট্টগ্রাম শহরের বেশিরভাগ বাণিজ্যিক ভবনের পার্কিং স্পেস নেই আর যাদের রয়েছে তাও পিকটাইমে পর্যাপ্ত নয় জানিয়ে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) ভারপ্রাপ্ত প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি শাহীনুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা নগরীর প্রধান ১৯টি সড়কের পাশের ভবন মালিকদের সাথে কথা বলে পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারিত জায়গা বের করে দেয়ার জন্য বলেছি, ভবন মালিকরা রোজার আগে এক মাসের সময় নিয়েছিলেন। এখন আবার এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়া হবে।’
চট্টগ্রামের মার্কেট, কনভেনশন সেন্টারগুলোর সামনের ফুটপাতে গাড়ি পার্কিং করা থাকে। একইভাবে এসব ভবনের যাওয়া যাত্রীদের নামার জন্য ‘পার্কিং বে’ থাকার কথা থাকলেও তা নেই কেন জানতে চাইলে স্থপতি শাহীনুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা ভবনের অনুমোদন দেয়ার সময় ৬ মিটার তথা ১৮ ফুট জায়গা খালি রেখে অনুমোদন দিয়েছি। এই জায়গায় তারা পার্কিং বে বা ড্রপিং বে করার কথা। যারা তা করেনি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
একটি আধুনিক শহরের পরিকল্পনায় বাণিজ্যিক এলাকায় পার্কিং স্পেসের জন্য জায়গা থাকে কিন্তু আমাদের এই শহরে তা নেই কেন - এমন প্রশ্নের জবাবে সিডিএ’র প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ (ভারপ্রাপ্ত) স্থপতি শাহীনুল ইসলাম খান বলেন, ‘চট্টগ্রাম শহরের বাণিজ্যিক এলাকা আগ্রাবাদে পাকিস্তান আমলেই দুটি পার্কিং স্পেসের জন্য প্লট রাখা হয়েছিল। সেই দুটি পার্কিং প্লটের একটিতে গড়ে উঠেছে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও অপরটিতে সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেট। আজ যদি এই দুটি জায়গা থাকতো তাহলে এখানে আমরা মাল্টিপল পার্কিং গড়ে তুলতে পারতাম।’
ট্রাফিক পুলিশের বক্তব্য
রাস্তায় পার্কিং প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ট্রাফিক পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (উত্তর) সুজায়েত ইসলাম কাউকে দোষারোপ না করে বলেন, ‘ভবনের অনুমোদন দিয়ে থাকে সিডিএ এবং তা মনিটরিংও তাদেরই করার কথা। একইভাবে রাস্তার উপরে কিংবা ফুটপাতে যদি কেউ গাড়ি পার্ক করে রাখে তাহলে সিটি করপোরেশন বা সিডিএ থেকে মোবাইল কোর্ট করা হয়ে থাকে।’
বন্দর জোনের ডিসি ট্রাফিক আবু সায়েম বলেন, ‘বাণিজ্যিক ভবনগুলোর সামনের ফুটপাত ও রাস্তায় পার্ক করার কারণে রাস্তার চওড়া কমে যাচ্ছে কথাটি সঠিক। কিন্তু অবৈধ পার্কিং বন্ধে আমাদের সবার মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।’